Monday, 28 September 2026

উই শ্যাল ওভারকাম...

পিট সিগা(র), মাফও চাই, দোয়াও চাই। গেয়ে ভুল করেছি...!











বাথরুম-সিঙ্গার!

রড স্টুয়ার্ট, যদি জানতাম, আপনি রিভলবার তাক করবেন না তাহলে আমি এই গানটা আরেকটু যত্ন নিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করতাম! 






Tuesday, 14 July 2026

কার খাবার কে খায়!

কার খাবার কে খায়— যার খাবার সে খায়!


আমরা ভাবি, এই গ্রহ কেবল আমরা মানুষদের। এই গ্রহের সমস্ত সুস্বাদু খাবার আমাদের। ভুল! মহাবিশ্বের জন্য আমরা সামান্য ৮০০ কোটি ইউনিট মাত্র!

Tuesday, 26 May 2026

হু কেয়ার্স!

ঠিক মনে নেই, সালটা ১৯৮৪-৮৫-৮৬-৮৭ হবে। তখন ক্রিকেটের খুব চল! কপিল দেব-রা তখন একেকজন আকাশের তারা। বোলার কাদের খান, ব্যাটে, ১ বলে ৫ রানের প্রয়োজন! কী-এক অন্য ভুবনের উত্তেজনা! এটা একটা কথা—বোলার কাদের খান ছক্কা মেরেই দিলেন!

ওই সময়টায় একটা কাঠের বল দিয়ে খেলার জন্য ব্যাট না-কিনে পারা যায় বুঝি। কিন্তু তাই বলে তখন আমার মত ছলিমুল্লা-কলিমুল্লা ২৯৫০ টাকা দিয়ে টেস্ট-ম্যাচ খেলার ব্যাট কেনে! 

আহা, এই ব্যাট, কাঠের বল দিয়ে খেলার যে আনন্দ তা 'ইয়েতে' কোথায়!

কপালের ফের, ঢাকা নামের কংক্রিটের বস্তিতে চলে আসতে হলো। এখানে খেলার জায়গা কোথায়! আমার সমস্ত জীবনে কোন কাজই ঠিকঠাক মতো শিখতে পারিনি, করতে পারিনি। কিন্তু জুতা সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ কিছুই বাদ যায়নি! আসার সময় এই ব্যাটটাও নিয়ে এসেছিলাম। 

আমার স্বপ্নগুলো ছোট-ছোট। আহারে, প্রাণটা আটকে থাকে একটু যদি খেলতে পারতাম। কয়েক মিনিটের জন্য হলেও, মন্দ কী! আমি যেখানে থাকি, সামনে ছোট্ট একটু ফাঁকা জায়গা আছে। কিন্তু...!

খেলা যায় কিন্তু খেলব কার সাথে? আমার পোলাকে বলার পর তার সাফ উত্তর, আমি ক্রিকেট খেলতে পারি না!

এই হচ্ছে, এখনকার প্রজন্ম। এদের কাছে আবেগ হচ্ছে বাদামের খোসা!

কিন্তু বাহে, আমাকে দাবায়া রাখতে পারবা না! কানাডা থেকে ভাগ্নি-জামাই এসেছে, তাকে খেলায় লাগিয়ে দিয়েছি!

চারদিকে আমার এন্টিকের জিনিসপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। বাট, হু কেয়ার্স!

এই আনন্দ কোথায় রাখি!

সেসময়ে ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম আরও কত নাম!
ওয়াসিম আকরাম তো আজকাল শয়তানকে পাথর মারেন, বোলিং করে :)
...
বাই দ্য ওয়ে, ওই সময় আমার এলাকায় ৩৩ শতকের এক কানি 'ধানি জমি' (লো-ল্যান্ড) পাওয়া যেত চার হাজার টাকায়। এখন সেই জমি মাটি ফেলে উঁচু করে প্রতি শতক বিক্রি হয় ৮/১০ লাখ টাকায়! সেই হিসাবে এই ব্যাটের দাম হয় প্রায় কোটি টাকা!
অনেকের দীর্ঘশ্বাসে বাতাস ভারী হয় ওইসময় এই ব্যাট না-কিনে জমি কিনলে আমাকে ঢাকায়  ভাড়া বাসায় থাকতে হত না। আমার জীবন অন্য রকম হত। হয়তো! এই পাখির মত নিয়তিও হতে পারত:





Saturday, 19 June 2021

কী ভয়ংকর!


দেখলে মনে হবে 'লুকটা' বড় আবেগ দিয়ে গাইছে। এবং নিঃসন্দেহে ভাল গাইছে। কিন্তু কেবল একটা স্টিল ছবি দিয়ে যে-কোনও মানুষকে দিয়ে এমনতরো গান গাওয়ানো সম্ভব! কী সর্বনাশের কথা...!

Sunday, 26 August 2018

শৈশব ফিরে আসে, বারবার।

রেলগাড়ি-ঝমঝম, নীচে পড়লে আলুর দম। রেলগাড়ি নিয়ে আমার শৈশবের যে স্মৃতিটা এখনও দগদগে সেটা হচ্ছে রাতের বেলা বিকট শব্দে বিছানা থেকে লাফিয়ে উঠা। মনে হত কেউ একের-পর-এক কামান দাগছে!

না, কামান রেলগাড়ি দাগে না। ঘটনা অন্য। তখন তো আর কিচেনে কেবিনেট-টেবিনেট টাইপের কিছু ছিল না। আমার মা করতেন কি রাজ্যের হাড়ি-পাতিল দেয়ালে পেরেক মেরে আটকে রাখতেন। হাতুড়ি বিশারদ একজন ছিলেন, মাহতাব মিয়া। তিনি পেরেক মেরে-মেরে বেচারা দেয়ালের বুক ঝাঁঝরা করে দিয়েছিলেন। 
গভীর রাতে দুদ্দাড় করে যখন ট্রেন যেত সেইসব হাড়িপাতিলের অধিকাংশই মেঝেতে শুয়ে পড়ত। তাদের শোয়ার শব্দ ছিল কামান দাগার চেয়ে কম না! তদুপরি আমার কাছে রেলগাড়ির আকর্ষণ ছিল কম না। 

ব্রেন স্ট্রোক সংক্রান্ত গাও-গেরামের একটা কথা আছে, 'ব্রেন লইড়া গেছে'। আসলে ব্রেন বেচারার নড়ানড়ির সুযোগ নাই কিন্তু ব্রেন ঘুঁটা খায় মতান্তরে স্মৃতির নাড়াচাড়া। আহ স্মৃতি, স্মৃতিই বাঁচিয়ে রাখে মানুষকে নইলে কবে আমরা মরে ভূত হয়ে যেতাম- ভূত মানে চলমান জম্বি আর কী।

তো, যেমনটা আজ একে দেখে শৈশব ফিরে আসে...।




    

Sunday, 10 January 2016

শীত আসে-শীত যায়…।

প্রকৃতির নিয়ম ধরে শীত আসে আবার নিয়মের হাত ধরে শীত বিদায়ও নেয়। কাপড়ের পোঁটলা হালের কাবার্ডে এরা (যার চালু নাম ব্লেজার) ঘুমায়, চুপচাপ, বছর জুড়ে। কেবল শীতে বের হয়, রোদে শুকায় কখনও-বা ড্রাই ওয়াশের নামে এদের উপর নির্যাতন নেমে আসে। যথারীতি গরমের শুরুতে আবারও রোদে শুকায় কাবার্ডে ফিরে যায়। ফি বছর এই-ই চলে আসছে।

ব্লেজারগুলো পরা হয় না কারণ পরে আমি আরাম পাই না। চোরের মত একটা আড়ষ্ট ভাব চলে আসে। এবারই খানিকটা ব্যত্যয় হলো…।

Friday, 5 December 2014

অবগতি

এই লেখাটা কেবল আমার সুহৃদ এবং বন্ধুদের জন্য।

জুকারবার্গ একদা একটা টিকটিকির ডিম পেড়েছিল। কালক্রমে, কোনও এক বিচিত্র কারণে সেই টিকটিকির ডিম ফুটে বের হল এক ডায়নোসর! দানবীয় তার ক্ষমতা এটা এখন আর অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই। অজস্র উদাহরণ থেকে কেবল একটা বলি। প্রথম আলোর মত আরেক দানবকে দেখেছি নাছোড়বান্দা ভিক্ষুকের মত ‘লাইক’ ভিক্ষা করতে। ওয়াক!

ফেসবুক জায়গাটা এখন আর ভাল লাগছে না। আপাতত ফেসবুকে লেখালেখি করতে উৎসাহ পাচ্ছি না- এখানকার অতিরিক্ত আলো চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। এই প্রক্রিয়ায় অন্ধ হয়ে গেলে সেটা কোনও কাজের কাজ হবে না। লেখালেখি আমার প্রাণ! যেদিন লেখা বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন আমি হয়ে পড়ব এক ‘জম্বি’! ‘জম্বি’ হওয়ার গোপন কোনও ইচ্ছা আমার নাই বিধায় আমার নিজের সাইটে হাবিজাবি লিখব ঠিকই। তাই আমি আমার পুরনো জায়গা, www.ali-mahmed.com -এ ফিরে যাওয়াটাই আরামের মনে করলাম।

ফেসবুকে যোগাযোগ করাটা অনেকটা সহজ তাই আপাতত এই আইডিটা ডিঅ্যাকটিভ করছি না। কারও বিশেষ কোনও প্রয়োজন হলে ইনবক্স খোলা রইল। আর এই লেখার সূত্র ধরে কোনও প্রকারের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সবিনয়ে এড়িয়ে যাচ্ছি কারণ যা বলার বিশদ এই লেখায় বলে ফেলছি। যারা আমাকে অজানা কারণে পছন্দ করেন এবং যারা জানা কারণে অপছন্দ করেন এদের সবাইকে শুভেচ্ছা...।

Saturday, 1 November 2014

‘অতিথ’


‘অতিথ’ ওরফে অতিথি চলে এলো। ক্লাউডিয়াস এবং ভিরাপান্ডে। ক্লাউডিয়াসের নিবাস জার্মানি এবং ভিরাপান্ডের চেন্নাই। দুজনেই আই.টি বিশেষজ্ঞ। এদের প্রথম দেখা সুইটজারল্যান্ডে এক সেমিনারে। এরা দুই বন্ধু মিলে মাস তিনেক ধরে ইরান-তুরান ঘুরছে! এখন বাংলাদেশ হয়ে ভারত যাবে। এরা পারেও!

স্টেশন থেকে আসার সময় আমি বললাম, ‘আমার বাসায় রিক্সা করে যাওয়া যায় আবার হেঁটেও যাওয়া যায়, রিক্সা নেব’? দুজনের পিঠেই হিমালয়ের সমান গাট্টি-বোঁচকা কিন্তু দুজনেরই এক রা। ‘না-না হেঁটে যাব। গল্প করতে করতে যাই’। অথচ আমরা বঙ্গাল হলে লাফ দিয়ে রিকশায় উঠে বসতাম।

খাওয়ায় এটা-সেটার সঙ্গে কোকও ছিল কিন্তু এরা কোক ছুঁয়েও দেখেনি! গ্লাসের-পর-গ্লাস সাবাড় করেছে ডাবের পানি। আমাদের তো আবার কোক-টোক ছাড়া পেটের ভাতই হজম হয় না।
ক্লাউডিয়াস একটু চাপা স্বভাবের, ভিরাপান্ডে উল্টোটা। অসম্ভব ছটফটে! ভিরাপান্ডে আমার সঙ্গে রগড় করে, ‘শোনো, তোমার তো দেখছি অনেকগুলো ডাবগাছ। এক কাজ করো একটা আমাকে আর একটা আমার বন্ধুকে দিয়ে দাও’।

রাত জাগি বলে ক্ষিধা লাগে তাই আমার লেখার টেবিলে হাবিজাবি খাওয়ার জিনিস থাকে। বয়ামে মুড়ি-চিড়ার মোয়া দেখে ক্লাউডিয়াস জিজ্ঞেস করে, ‘এটা কি’?
আমি বললাম, ‘তুমি চিনবা না। এটার নাম মোয়া'।
ক্লডিয়াস,  'মোয়া, এটা দিয়ে কী করো?'।
অমি হাসি চেপে বললাম, 'তোমার কী ধারণা এটা দিয়ে মারামারি করি! এটা খায়'।
সে আবার বলে, ‘বাহ, তুমি অনুমতি দিলে একটা খাই’?
আমি শরীর দুলিয়ে বলি, ‘খেতে পারলে খাও। দুইটা দুই রকম কোনটা খাবে’?
বিচিত্র ভঙ্গিতে কুচুরমুচুর করে ক্লাউডিয়াস মুড়ির মোয়া খাওয়া শুরু করল। দুইটা খেয়ে ও বলল, 'খুব মজা তো। আমি এমন মজাদার জিনিস কমই খেয়েছি'।
অন্য কেউ হলে খুশিতে একটা ডিগবাজি দেওয়ার চেষ্টা করত, অন্তত মনে মনে কিন্তু আমি জানি এই সব এরা বলেই থাকে। এরা পৃথিবীটা দেখতে বেরিয়ে মুগ্ধ চোখ নিয়ে যা দেখবে তাতেই মুগ্ধ হবে। তবুও আমি এদের দেখে-দেখে শিখি...। শেখার বিষয়ে আমার কোন ক্লান্তি নেই। ক্লাউডিয়াস জানত আমি লেখালেখি করি। তাকে 'মাদার এলিফেন্ট'টা [১] পড়তে দিয়েছিলাম। ওই যে বললাম এদের চোখ অল্পতেই মুগ্ধ হয়। তারপরও বাকীটা অনুবাদকের প্রাপ্য...। 
...
ক্লাউডিয়াস এবং ভিরাপান্ডে কয়েক হপ্তা পর সদাশয় কিছু কথাসহ মেইল করে, এরই মধ্যে সুযোগ করে তোমার ওখানকার কিছু ছবি পাঠালাম। আমরা এখনও পথে-পথে ঘুরছি। তুমি থাকলে বেশ হতো। শোনো কথা, আমি হচ্ছি বাতিল একটা মানুষ! ঘর থেকে বেরুবার কথা মনে হলেই রাজ্যের ক্লান্তি ভর করে। 

সহায়ক সূত্র:
 

Thursday, 29 May 2014

মানুষ চলে যায় ফেলে যায় স্মৃতি

যিনি (বাইক-বয়) আমার এই ছবিটা উঠিয়েছিলে তিনি আর এই ভুবনে নেই :(

গুডবাই, আ বাইক-বয়: http://www.ali-mahmed.com/2014/05/blog-post_22.html

Wednesday, 5 February 2014

কিছুই নয়কো ফেলনা!



পরিত্যক্ত সিগারেটের ফিল্টার, অতি তুচ্ছ জিনিস। সিগারেটের ফিল্টার ফেলার মধ্যেও নাকি কি কি যেন কেরামাতি আছে। সত্য মিথ্যা জানি না, কোথাও পড়েছিলাম, যারা অনাবশ্যক জোরে পিষে ফেলেন তারা বাস্তব জীবনে অহেতুক হামবড়া ভাব দেখান আবার কেউ মোলায়েম ভঙ্গিতে নিভিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন তারা নাকি পুতুপুতু টাইপের হন।

হবে হয়তো কিন্তু জিনিসটা যে ফেলনা এতে কোনো সন্দেহ নেই- কোনো কাজেই লাগে না। কিন্তু এখানে তো দেখছি বেশ কাজে লাগছে। খেলা চলছে, খেলা চলছে হরদম...।

ক্রাচের খেলোয়াড়। একপাশে ক্রাচ রেখে খেলা চলছে। 

Friday, 13 December 2013

এই লুকটার মাথায় গন্ডগোল আছে। :(


অসুখ থেকে উঠার পর আমার হাঁটাহাঁটি পর্বটা অনেকটা কমে গেছে। কিন্তু পুরনো অভ্যাস বলে কথা। ঝাঁ ঝাঁ রোদ্দুরে হাঁটার যে মজা সেটা অন্যত্র কোথায়! অবশ্য আমার সঙ্গে যিনি ছিলেন তিনি তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করছিলেন।


ছবিটা মেইল করে লিখেছেন, 'এই লুকটার মাথায় গন্ডগোল আছে'...। :(