ডোবার গভীরতা যেমন খুঁজে লাভ নাই, তেমনি এখানেও। ভারী ভারী লেখা লিখে ক্লান্ত লাগে। এখানে হালকা চালের লেখা লিখে চেপে রাখা শ্বাস ফেলতে পারি। মূলত এই সাইটটা আমার নিজের জন্য এবং অল্প কিছু পছন্দের মানুষদের জন্য। বিচিত্র কারণে যারা আমার দোষ খুঁজে পান না...।
Tuesday, 20 October 2026
Monday, 28 September 2026
বাথরুম-সিঙ্গার!
রড স্টুয়ার্ট, যদি জানতাম, আপনি রিভলবার তাক করবেন না তাহলে আমি এই গানটা আরেকটু যত্ন নিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করতাম!
Friday, 11 September 2026
Tuesday, 14 July 2026
কার খাবার কে খায়!
কার খাবার কে খায়— যার খাবার সে খায়!
Saturday, 11 July 2026
Tuesday, 26 May 2026
হু কেয়ার্স!
ঠিক মনে নেই, সালটা ১৯৮৪-৮৫-৮৬-৮৭ হবে। তখন ক্রিকেটের খুব চল! কপিল দেব-রা তখন একেকজন আকাশের তারা। বোলার কাদের খান, ব্যাটে, ১ বলে ৫ রানের প্রয়োজন! কী-এক অন্য ভুবনের উত্তেজনা! এটা একটা কথা—বোলার কাদের খান ছক্কা মেরেই দিলেন!
ওই সময়টায় একটা কাঠের বল দিয়ে খেলার জন্য ব্যাট না-কিনে পারা যায় বুঝি। কিন্তু তাই বলে তখন আমার মত ছলিমুল্লা-কলিমুল্লা ২৯৫০ টাকা দিয়ে টেস্ট-ম্যাচ খেলার ব্যাট কেনে!
কপালের ফের, ঢাকা নামের কংক্রিটের বস্তিতে চলে আসতে হলো। এখানে খেলার জায়গা কোথায়! আমার সমস্ত জীবনে কোন কাজই ঠিকঠাক মতো শিখতে পারিনি, করতে পারিনি। কিন্তু জুতা সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ কিছুই বাদ যায়নি! আসার সময় এই ব্যাটটাও নিয়ে এসেছিলাম।
আমার স্বপ্নগুলো ছোট-ছোট। আহারে, প্রাণটা আটকে থাকে একটু যদি খেলতে পারতাম। কয়েক মিনিটের জন্য হলেও, মন্দ কী! আমি যেখানে থাকি, সামনে ছোট্ট একটু ফাঁকা জায়গা আছে। কিন্তু...!
খেলা যায় কিন্তু খেলব কার সাথে? আমার পোলাকে বলার পর তার সাফ উত্তর, আমি ক্রিকেট খেলতে পারি না!
এই হচ্ছে, এখনকার প্রজন্ম। এদের কাছে আবেগ হচ্ছে বাদামের খোসা!
চারদিকে আমার এন্টিকের জিনিসপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। বাট, হু কেয়ার্স!
Friday, 22 May 2026
Saturday, 19 June 2021
কী ভয়ংকর!
দেখলে মনে হবে 'লুকটা' বড় আবেগ দিয়ে গাইছে। এবং নিঃসন্দেহে ভাল গাইছে। কিন্তু কেবল একটা স্টিল ছবি দিয়ে যে-কোনও মানুষকে দিয়ে এমনতরো গান গাওয়ানো সম্ভব! কী সর্বনাশের কথা...!
Sunday, 26 August 2018
শৈশব ফিরে আসে, বারবার।
Saturday, 9 July 2016
Wednesday, 25 May 2016
Sunday, 10 January 2016
শীত আসে-শীত যায়…।
ব্লেজারগুলো পরা হয় না কারণ পরে আমি আরাম পাই না। চোরের মত একটা আড়ষ্ট ভাব চলে আসে। এবারই খানিকটা ব্যত্যয় হলো…।
Friday, 5 December 2014
অবগতি
জুকারবার্গ একদা একটা টিকটিকির ডিম পেড়েছিল। কালক্রমে, কোনও এক বিচিত্র কারণে সেই টিকটিকির ডিম ফুটে বের হল এক ডায়নোসর! দানবীয় তার ক্ষমতা এটা এখন আর অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই। অজস্র উদাহরণ থেকে কেবল একটা বলি। প্রথম আলোর মত আরেক দানবকে দেখেছি নাছোড়বান্দা ভিক্ষুকের মত ‘লাইক’ ভিক্ষা করতে। ওয়াক!
ফেসবুক জায়গাটা এখন আর ভাল লাগছে না। আপাতত ফেসবুকে লেখালেখি করতে উৎসাহ পাচ্ছি না- এখানকার অতিরিক্ত আলো চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। এই প্রক্রিয়ায় অন্ধ হয়ে গেলে সেটা কোনও কাজের কাজ হবে না। লেখালেখি আমার প্রাণ! যেদিন লেখা বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন আমি হয়ে পড়ব এক ‘জম্বি’! ‘জম্বি’ হওয়ার গোপন কোনও ইচ্ছা আমার নাই বিধায় আমার নিজের সাইটে হাবিজাবি লিখব ঠিকই। তাই আমি আমার পুরনো জায়গা, www.ali-mahmed.com -এ ফিরে যাওয়াটাই আরামের মনে করলাম।
ফেসবুকে যোগাযোগ করাটা অনেকটা সহজ তাই আপাতত এই আইডিটা ডিঅ্যাকটিভ করছি না। কারও বিশেষ কোনও প্রয়োজন হলে ইনবক্স খোলা রইল। আর এই লেখার সূত্র ধরে কোনও প্রকারের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সবিনয়ে এড়িয়ে যাচ্ছি কারণ যা বলার বিশদ এই লেখায় বলে ফেলছি। যারা আমাকে অজানা কারণে পছন্দ করেন এবং যারা জানা কারণে অপছন্দ করেন এদের সবাইকে শুভেচ্ছা...।
Saturday, 1 November 2014
‘অতিথ’
বিচিত্র ভঙ্গিতে কুচুরমুচুর করে ক্লাউডিয়াস মুড়ির মোয়া খাওয়া শুরু করল। দুইটা খেয়ে ও বলল, 'খুব মজা তো। আমি এমন মজাদার জিনিস কমই খেয়েছি'।
Thursday, 29 May 2014
মানুষ চলে যায় ফেলে যায় স্মৃতি
গুডবাই, আ বাইক-বয়: http://www.ali-mahmed.com/2014/05/blog-post_22.html









